Sunday, October 20, 2019

Legal brothel in the UK. How did you not see it on video?

There is a legal brothel in the United Kingdom. There, boys and girls of all ages can exchange their love for money. But no one can see their faces.

See details in the video: -




Watch the video of the famous jute field.

Dialogue used in various people's faces, and in various Bengali films.


See details in the video: -

বিখ্যাত সেই পাট ক্ষেতের ভিডিও, দেখে নিন।

বিভিন্ন মানুষের মুখে,এবং বিভিন্ন বাংলা ছবিতে ব্যাবহৃত ডায়ালগ পাটক্ষেত নিয়ে।দেখেনিন সেই পাটক্ষেতের বিখ্যাত ভিডিওটি ।

DOWNLOAD

বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে:-



ইউ-কে তে বৈধ পতিতালয়।ভিডিওতে দেখেনিন কি ভাবে করে সব।

ইউনাইটেড কিংডম এ রয়েছে বৈধ পতিতালয়। সেখানে সকল প্রকার এবং সব বয়সের ছেলে মেয়ারা তাদের যৌনকর্ম সারতে পারে টাকার বিনিময়ে।কিন্তু কেউ কারো মুখ দেখতে পারেনা।
DOWNLOAD
বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে:-

Monday, October 14, 2019

করতে করতে পরেযাই তবুও ছারে না।




করতে করতে পরে যাই তবুও ছারেনা। এমনই এক বর্ননা দিলেন রানা ঘাটের এক তরুনি।

তিনি বলেন,আমরা সহ মোট ১৫-২০ জন সবারই আলাদা রুম আছে।যখন কোন খদ্দের আসে তখন যার রুম খালি সইখানে পাঠানো হয়।দৈনিক ৪,৫ জনের সাথে করতে হয়।


                     আরও ভিডিও দেখতে এখানে ক্লিক করুন                                        ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন

সন্ধ্যার পর থেকে বারতে থাকে লোক।সব বয়সের লোকেরা আসে, বেশি আসে ১৮ থেকে ২৫  বছরের ছেলেরা।করতে করতে পরে গেলেও ছারে না।পরার পড়েও করতে থাকে ওর মধ্যে।


Friday, October 11, 2019

Download New Bangla Movi 2020





























Thursday, October 3, 2019

বিয়ের কথা বলে সারা রাত ধর্ষন, সকালে পলাতক।



সকালে পাত্রি দেখতে আসে রাকেশ (২৭) পাত্রি লিজা সরকার (১৭) ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের লাকষাম এলাকায়।
সকালে ৩ বন্ধু এবং ২জন বয়স্ক লোক কে সাথে নিয়ে পাত্রিকে দেখতে আসে,পাত্রি পছন্দ হলে তারা বলে যে বিয়ে না হওয়া পর্যন্ত পাত্র পাত্রির বাড়ির থাকা নিয়ম।তাই তরি ঘরি পরের দিন বিয়ে ঠিক করা হয়।

রাতে সবাই ঘুমিয়ে গেলে রাকেশ লিজাকে ডাকে এবং কথা আছে বলে দরজা খুলতে বলে।লিজা দরজা খুল্লে সে তাকে নানান রকম যৌন সংক্রান্ত কথা বলে।এবং এই কথা বলার জন্যই নাকি পাত্রকে পাত্রির বাড়িতে থাকতে হয়।
তারটা অনেক বড়,মোটা পারবে কিনা সে জানতে চাইলে লিজা সরকার চেষ্টা করবে বল্লে তাকে হাত দিয়ে ধরে দেখতে বলে।সে না সংকোচ করলে কাল তাদের বিয়ে হবে সব জানা হবে বলে লিজার হাতটা তার যৌনাঙ্গেরর ওপর ধরে।এবং জানতে চাইলে হ্যা বল্লে, পরীক্ষা করে দেখার কথা বলে যৌনাঙ্গ ডুকিয়ে দিয়ে মুখ চেপে ধরে, এবং রাতভর ধর্ষন করে সকাল হওয়ার আগে পালিয়ে যায়।

WATCHAING VIDEO CLICK HERE > 
 https://www.movcpm.com/watch.xml?key=2ece5888d9a7540ad0cb0d44ee087954

Thursday, August 8, 2019

তিন বোনের স্বামির সাথে রাত্রি যাপন।


চার বোনের মধ্যে সপ্না তৃতীয়। বাকি তিন বোনের বিয়ে হলেও সপ্নার বিয়ে হয়নি।সপ্না চাকরির সুবাদে বাড়িতে একলা থাকে।তিন বোনেরা তার স্বামিদের নিয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সপ্নার বাড়িতে আসে।
সপ্না ড্রিংক করত,আর তার ড্রিংক এর মধ্যে ঘুমের ঔষুধ দিয়ে রাতে একেক সময় এক এক বোনের স্বামি এসে রাত্রি যাপন করে যেত।
এ বিষয়ে তার অন্যবোনেরা কিছুই জানতো না।

Tuesday, August 6, 2019

অন্ধকার রাতে শরীর খেলায় মাতে ,


একজন পতিতার ডায়েরি"

সারা রাত ঘুমাতে পারিনি
চোখ বুজতেই মেয়েটির চেহারা ভেসে উঠে!
রেল লাইনের বস্তির ধারে বসে
সিগ্যারেটের শরীরে চুমু দিই প্রিয়ার স্পর্শ লেগে থাকা ঠোঁটে।
সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে-
জীর্ণ কুটির থেকে জোনাকির মতোন কারা যেন
বেরিয়ে এদিক-ওদিক ঘুরছিলো,
আমি নেশার ভিতরে একটু একটু খুঁজে নিচ্ছি জীবনের অমিয় সুখ।
হঠাৎ কারো অজানা স্পর্শে চমকে ওঠে পিছনে ফিরে দেখি
শ্যামবর্ণের একটি মেয়ে!



 কোনো কিছু বলার আগে কাঁধে হাত দিয়ে বলল--
ভয় নেই,সূর্য ডুবলে এখানে অনেকে আসে
আর প্রভাতীর আলো স্পর্শ করার আগে বিশুদ্ধ নর হয়ে ফিরে যায়।
ভয়ার্ত কণ্ঠে কৌতূহল নিয়ে জিজ্ঞেস করলাম--
কে তুমি? আমার কাছে কি চাও?
প্রত্যুত্তরে মেয়েটি বলল-
আমি ফুল,রাতে ক্ষনিকের গন্ধ বিলাই,
চলো আজ রাতে আমার গন্ধ নিবে।
এই বলে আমাকে পুরানো কাপড় চোপড়ে ঘেরা
অন্ধকার একটা ঘরে নিয়ে গেলো!
তৈলের একটা প্রদীপ আধো আধো জ্বলছে।
আমাকে বলল---
আজ রাতটা তোমার! মনের,শরীরের সব তৃষ্ণা মিটিয়ে ফেলো
আর যাওয়ার সময় শরীরে শরীর খেলার দামটা দিও।
নারীর ঘ্রাণের মাদকতায় মাতাল হয়ে আলতো করে
কপালে একটা চুমু এঁকে দিলাম!
মেয়েটির চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়লো,
আমি নির্বাক হয়ে ভাবতে লাগলাম-পতিতার চোখে আবার কিসের জল!
মেয়েটি আমার হাত চেপে ধরে বলল--
কপালে চুমু দিওনা বুকের পাঁজর ভেঙে যায়;
আমি ততোক্ষণে বুঝে গেছি
ভালোবাসার নীল দহনে পোড়ে মেয়েটির হৃদয়
শ্মশান হয়ে গেছে কিন্তু স্মৃতিটাই আজো রঙিন।
চোখের জলের কারণ কি
জানতে চাওয়াতে মেয়েটি আমাকে শক্ত করে
জড়িয়ে ধরলো আর কান্নার স্বরে বলল-
আমিও তোমার মতোন কারো প্রেমিকা ছিলাম!
কেউ একজন আমার কপালে আলতো করে চুমু
দিতো।
আমার জানার আগ্রহ দেখে আমার হাতে
একটা ডায়েরি তুলে দিলো-
আর বলল-যদি সময় হয় আবার এসো।
বাসায় এসে বিকালে জানালার পাশে বসে
ডায়েরিটা খুলতেই একটা চিরকুট দেখতে পেলাম
যার মাঝে লেখা ছিলো---
প্রিয় রৌদ্র,
ভালোবাসার সমস্ত রঙে হৃদয় রাঙিয়ে তোমাকে
ভালোবেসে ছিলাম।জীবনের অনেকটা সময় সৎ মায়ের
নিষ্ঠুর অত্যাচারের মাঝে কেটেছে।
বাকীটা সময় তোমার ভালোবাসার স্বর্গীয় সুখে
কাটাবো বলে গৃহ ত্যাগ করেছিলাম।
সুখ তো কপালে ছিলো না কিন্তু এমন জীবন কখনো চাইনি,
তোমার ক্ষুধা মিটিয়ে পতিতালয়ে আমাকে
বিক্রি করে দিবে এতটা বিশ্বাসঘাতক মানুষ হয়
কখনো ভাবিনি।
এই জীবনের চেয়ে সৎ মায়ের অত্যাচার
অনেক ভালো ছিলো,এখানে রাতদিন নিস্তার মেলেনা,
এখানে দেহদান করে ভাত জুটে!
তোমাকে ক্ষমা করতে পারব কিনা জানিনা
তবে এতটা ভালোবেসে ছিলাম কখনো ঘৃণা করতে
হবে ভাবিনি।
ইতি
সেই হতভাগী
চিরকুট টা পড়ে দু'চোখের জল বাঁধা মানলো না,
পরদিন গেলাম সেই রেললাইনের বস্তির ধারে
যেখানে মেয়েটি কাঁধে হাত রেখেছিলো।
মেয়েটি আসবে এই ভেবে অপেক্ষায় ছিলাম
কিন্তু মেয়েটির আর আসেনি!
আরেকজন মেয়েকে জিজ্ঞেস করাতে বলল--
ঐ মেয়েটি বিষ খেয়ে মারা গেছে;
পুলিশ লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে গেছে।
দুর্বল চিত্তে ঐ জীর্ণশীর্ণ কুটিরে পা রাখতে
একটা সাদা কাগজ চোখে পড়ে-----
তাতে লেখা ছিলো-
তোমার জন্য দ্বিতীয়বার কারো প্রেমে পড়তে পারলাম না!
কারণ একজন পতিতা নিয়ে রাত কাটানো যায়
সংসার করা যায়না।
এ সমাজ পতিতাকে রাতে আঁধারে বুকে টানে
দিনের আলোয় ছড়ায় ঘৃণার বুলি!
এ সমাজ বড্ড অদ্ভুত!
রাতে শরীর খেলায় মাতে
আর দিবসের প্রথম প্রহরে বিশুদ্ধ হয়ে ফিরে আসে।
Colleted

লোহাগড়ার পাঁচুড়িয়া গ্রামে শিশু শ্রেণির এক ছাত্রীকে ১০ টাকা দিয়ে ধর্ষণ।



নড়াইল লোহাগড়ার পাঁচুড়িয়া গ্রামে শিশু শ্রেণির এক ছাত্রী ধর্ষণের শিকার

নড়াইল লোহাগড়া মল্লিকপুর ইউনিয়নের পাঁচুড়িয়া গ্রামের, আকুব্বর শেখের শিশু শ্রেণির ছাত্রী (৬) ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ঘটনাটা ঘটেছে গত মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে।

ধর্ষিতা শিশুর মা রাবেয়া বেগমের তথ্যের ভিত্তিতে, তার মেয়েকে মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পাঁচুড়িয়া গ্রামের মৃত মোবারেক শেখের ছেলে চটপটি বিক্রেতা আকরাম শেখ (৫৫), কিছু খাবারসহ ১০টাকা হাতে দিয়ে ফুসলিয়ে পাঁচুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পার্শ্ববর্তী বাগানে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

ধর্ষণের শিকার শিশুর মা পরের বাড়িতে কাজ করেন এবং শিশুর বাবা আকুব্বর শেখ ভ্যান চালক। পরের বাড়িতে কাজ করতে যাওয়ায় ঐ সময় বাড়িতে ছিলেন না শিশুর মা। ঘটনার পর বাড়িতে এসে ভীত পরিস্থিতি অবস্থায় ওই শিশু তার ছোট বোন (৫) মরিয়ম'কে বিষয়টি জানালে পরক্ষণেই মরিয়ম তার ফুফু রহিমাকে ঘটনা বলে দেয়। বিকালে শিশুটি কিছুটা অসুস্থ হয়ে পড়লে, রহিমার কাছ থেকেই শিশুর মা ও বাবা বিষয়টি প্রথম জানতে পারে। এ সময় শিশুটিও তার বাবা মাকে ঘটনার বিষয়ে খুলে বলে। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে ভুক্তভোগী শিশুর বাবা মা চিকিৎসার জন্য লোহাগড়া হাসপাতালে শিশুটিকে নিয়ে যায়।

হাসপাতালে জরুরি বিভাগে চিকিৎসার সময় লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোকাররম হোসেন উপস্থিত ছিলেন। জরুরি বিভাগের ডাক্তার রিপন কুমার ঘোষ বলেন, শিশুটির গোপনাঙ্গে ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে উন্নত চিকিৎসার জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, উক্ত ঘটনায় ধর্ষক পক্ষের লোকজন ধর্ষিতাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালে যেতে না দিয়ে লোহাগড়া হাসপাতাল অভ্যন্তরেই মীমাংসার চেষ্টা করছিলেন। তবে ধর্ষিতার মা কান্নারত কণ্ঠে বলেন, মীমাংসা নয় আমি ধর্ষকের উপযুক্ত বিচার চাই।

সংগৃহীত ফেসবুক

সাবক্রইব করলেই ৫০০ থেকে ১৫০০ টাকা।

গুগল অনুমদিত ইউটিউব চ্যানেল সাবক্রাইব করলে পাওয়া যাচ্ছে টাকা।সাবক্রাইব করার ১২ ঘন্টার মধ্যে ১৪ ডিজিট এর একটা নাম্বার জিমেইলে পাঠাবে গুগল।নাম্বারটা মোবাইলে ডায়াল করলেই পাওয়া যাবে ৫ থেকে ১৫০০ টাকা।

সাবক্রাইবার চ্যানেল
https://www.youtube.com/channel/UCFtUiyLeCqbr_7UITvqgcEg?view_as=subscriber

Monday, August 5, 2019

কোটিপতির মেয়ে বিয়ে করলো বাদাম বিক্রেতাকে।



বাদাম বিক্রি করে খায় এই গরিব
ছেলেটি,আর
বড় লোকের একটি মেয়ে তার বাদাম
খাওয়ার
জন্য প্রতি দিন তার দোকানে আসে হঠাৎ
একদিন ছেলেটি বললো মেডাম টাকা
লাগবেনা...মেয়েটি বললো কেনো ?
ছেলেটি
বললো মেডাম এমনি,মেয়েটি হেসে হেসে
বললো আরে বোকা তুমি টাকানা নিলে
খাবে
কি ?ছেলেটি বললো, মেডাম আপনি বেশ
কিছু
দিন যাবত আমার দোকানে আসছেন বাদাম
খাওয়ার জন্য, আপনি যখন থেকে এই
দোকানে
বাদাম কিনছেন তখন থেকে আল্লাহ আমার
ভাগ্যকে বদলে দিতে শুরু করেছে। আমার
ব্যাবসা আগের চাইতে অনেকবেশি হচ্ছে
তাই,
আমি আপনাকে ফ্রি বাদাম খাওয়াবো !
মেয়েটি বললো তাহলে তুমি যদি বিনিময়
কিছু
না নাও তাহলে আমি তুমার দোকানে আর
আসবোনা।ছেলেটি বললো তাহলে আমি
বিনিময় নিবো কিন্তু আমি যা চাই তা
দিতে
হবে।মেয়ে : তুমি বল কি চাওছেলে : আপনি
প্রতি দিন আমার দোকানে এসে ২ মিনিট
দাড়াবেন আর আপনার সেই ভাগ্যবান হাতে
আমার বাদাম নাড়া দেওয়ার চামুছটা এক
মিনিট ধরে বাদাম নেড়ে নেরে দিবেন,
তাহলে হবে।মেয়েটি আবারো হাসতে
হাসতে
বললো ঠিক আছে আমি তোমার কথায়
রাজি
আছি!!!তো মেয়েটি প্রতি দিন আসে
এভাবে
কিছু দিন যাওয়ার পর হটাৎ ২ দিন ধরে
মেয়েটা আসছেনা।ছেলেটি খোঁজ নিয়ে
দেখে মেয়েটি হসপিটালে আছে।তার একটা
কিডনি ডেমেঞ্জ হয়ে গেছে।তার পর দিন
ছেলেটিঐ হস্পিটাল গিয়েছিলো.......তার
কিছু দিন পর মেয়েটি,সুস্থ হয়ে আবার এই
দোকানে বাদাম খেতে আসলো।ছেলেটি
মেয়েটিকে বললো মেডাম কেমন আছেন?
এতো
দিন আসেনাই কেনো ?মেয়েটি বললো
আমি
হস্পিটাল ছিলাম। আমার কিডনি নষ্ট হয়ে
গিয়েছিলো!ছেলে : তার পর কি হলো ??
মেয়ে: তার পর কে আমাকে তার কিডনি
দান
করলো আমি তাকে খুজে পাইনি।ছেলে:
তাহলে একটা কাজ করেন
হসপিটালে আপনাকে যেই নার্স সেবা
করেছে
সেই নার্স কে গিয়ে জিজ্ঞেস করুন, সে
হয়তোবা সব জানে !!!!তখন মেয়েটি পাগল
হয়ে
নার্স এর কাছে গেলো। গিয়ে বললো,
আপনি
বলেন আমাকে কিডনি কে দিলো, না বললে
আমি মরে যাবো। নার্স হেসে হেসে বললো
চলেন আমার সাথে, তখন নার্স তাকে নিয়ে
একটা রিক্সা করে একটি গরিব মহল্লায়
গেলো, ছোট্ট একটি ঘরে মেয়েটিকে
নিয়েঢুকলো। ছোট্ট ঘরে ঢুকে মেয়েটি
দেখে
সেই বাদাম ওয়ালা ছেলেটি বসে আছে।
মেয়েটি নার্স কে জিজ্ঞেস করলো
আমাকে
কিডনি দিয়েছে কে ?নার্স বললো এই সেই
বাদাম ওয়ালা, যিনি আপনাকে নিজের
কিডনি দান করেছে ।মেয়েটি কোন কথা
না
বলেই ছেলেটিকে জড়িয়ে ধরে বললো তুমি
চাইলে আমি সারা জীবন তোমারবাদাম
ওয়ালি হয়ে থাকতে চাই,

ভালো লাগলে কমেন্ট করবেন প্লিজ,

আর আরো ভালো ভালো পোস্ট পেতে ফ্রেইন্ড রিকোয়েস্ট দিয়ে সাথে থাকুন।

gift for you?


https://www.youtube.com/channel/UCFtUiyLeCqbr_7UITvqgcEg?view_as=subscriber